০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

‘মব সন্ত্রাসে’ ৭ মাসে নিহত ১১১: আসক

  • প্রকাশের সময় : ০১:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫
  • 112

ছবিঃ সংগৃহীত

ডেক্স রিপোর্টঃ ১২ আগস্ট, ২০২৫

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে শুরু করে গত সাত মাসে ‘মব সন্ত্রাসের’ শিকার হয়ে ১১১ জন মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

গতকাল সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি। বিজ্ঞপ্তিতে গত ৯ আগস্ট রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ভ্যান চোর সন্দেহে পিটিয়ে দুইজনকে হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে সংস্থাটি।

আসক মনে করে, ‘আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করা আইনের শাসন ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিকের আইনগত সুরক্ষা ও জীবন রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, যা এ ঘটনায় গুরুতরভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনেও এ ঘটনা জীবন ও নিরাপত্তার অধিকারের গুরুতর হানিকর’।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপিটুনিতে হত্যা করার ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটে চলেছে, যা দেশের সব নাগরিকের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে। এ বিচারহীনতার সংস্কৃতি সামাজিক সম্প্রীতি ও আইনের শাসনের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে, যেকোনো সংঘবদ্ধ প্ররোচনামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত গোষ্ঠী বা ব্যক্তি বিশেষকে দায়মুক্তি না দিয়ে তাদের শনাক্ত করে কঠোরভাবে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

 

জনপ্রিয়

বগুড়ার শেরপুরে ৬০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, ড্রাইভার ও হেল্পার গ্রেফতার

‘মব সন্ত্রাসে’ ৭ মাসে নিহত ১১১: আসক

প্রকাশের সময় : ০১:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

ছবিঃ সংগৃহীত

ডেক্স রিপোর্টঃ ১২ আগস্ট, ২০২৫

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে শুরু করে গত সাত মাসে ‘মব সন্ত্রাসের’ শিকার হয়ে ১১১ জন মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

গতকাল সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি। বিজ্ঞপ্তিতে গত ৯ আগস্ট রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ভ্যান চোর সন্দেহে পিটিয়ে দুইজনকে হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে সংস্থাটি।

আসক মনে করে, ‘আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করা আইনের শাসন ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিকের আইনগত সুরক্ষা ও জীবন রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, যা এ ঘটনায় গুরুতরভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনেও এ ঘটনা জীবন ও নিরাপত্তার অধিকারের গুরুতর হানিকর’।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপিটুনিতে হত্যা করার ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটে চলেছে, যা দেশের সব নাগরিকের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে। এ বিচারহীনতার সংস্কৃতি সামাজিক সম্প্রীতি ও আইনের শাসনের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে, যেকোনো সংঘবদ্ধ প্ররোচনামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত গোষ্ঠী বা ব্যক্তি বিশেষকে দায়মুক্তি না দিয়ে তাদের শনাক্ত করে কঠোরভাবে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র।