০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
পানিবন্দি পাঁচ সহস্রাধিক পরিবার

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, খোলা হলো সব জলকপাট

  • প্রকাশের সময় : ০২:১৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
  • 165

 

ডেক্স রিপোর্টঃ বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫

ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীতে পানি বেড়েছে।

বুধবার সকাল ৯টায় লালমনিরহাটের দোয়ানীতে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে তিস্তাপারের পাঁচ সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

দোয়ানীতে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। আজ সকাল ৯টায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ৫২ দশমিক ২০ মিটার ওপর দিয়ে। এর আগে ৩ আগস্ট নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। এরপর পানি কমে যায়।

তিস্তা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তিস্তা তীরবর্তী নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, গয়াবাড়ী, খালিশাচাপানী ও ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ১৫টি গ্রাম ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল ৬টায় পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে তিন ঘণ্টার ব্যবধানে সকাল ৯টায় পানি ২ সেন্টিমিটার কমেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব কটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আছে।

 

জনপ্রিয়

বগুড়ার শেরপুরে ৬০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, ড্রাইভার ও হেল্পার গ্রেফতার

পানিবন্দি পাঁচ সহস্রাধিক পরিবার

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, খোলা হলো সব জলকপাট

প্রকাশের সময় : ০২:১৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

 

ডেক্স রিপোর্টঃ বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫

ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীতে পানি বেড়েছে।

বুধবার সকাল ৯টায় লালমনিরহাটের দোয়ানীতে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে তিস্তাপারের পাঁচ সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

দোয়ানীতে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। আজ সকাল ৯টায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ৫২ দশমিক ২০ মিটার ওপর দিয়ে। এর আগে ৩ আগস্ট নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। এরপর পানি কমে যায়।

তিস্তা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তিস্তা তীরবর্তী নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, গয়াবাড়ী, খালিশাচাপানী ও ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ১৫টি গ্রাম ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল ৬টায় পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে তিন ঘণ্টার ব্যবধানে সকাল ৯টায় পানি ২ সেন্টিমিটার কমেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব কটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আছে।