


ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ
বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩ আশ্বিন, ১৪৩২
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় ২ দিনের ব্যবধানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ৩ নেতাকর্মীর পদত্যাগ করেছে। গত ১৫ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের তিন নেতাকর্মী লিখিতভাবে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছে। বিষয়টি গোপন রাখা হলেও গত শুক্রবার সকাল থেকে তাঁদের পদত্যাগের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া চলছে।
পদত্যাগকারীরা হলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিরামপুর উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আলিম হোসেন, আহ্বায়ক সদস্য আরাফাত আল আবীর। তাঁরা গত ১৫ সেপ্টেম্বর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। আর ছাত্রদলের বিরামপুর পৌরশাখার ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রদল সভাপতি ইয়াসির আরাফাত ওরফে মিম। তিনি গত ১৬ সেপ্টেম্বর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
ছাত্রদলের বিরামপুর উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আলিম হোসেন তাঁর পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন, গত ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি থেকে অদ্যবধি বিরামপুর পৌরশাখার ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দলীয় কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে তিনি মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। সংগঠনের প্রতি তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা প্রদর্শনের চেষ্টা করেছেন। এজন্য তিনি ২০২৪ সালে স্বেরাচারী আওয়ামীলীগ সরকার কর্তৃক মিথ্যা মামলার শিকার হন। ব্যক্তিগত কারণে তিনি আর ছাত্রদলের রাজনৈতিতে থাকবেন না। এজন্য তিনি তাঁর পদ থেকে স্বেচ্ছায়-স্বজ্ঞানে এবং দলের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পদত্যাগ করেছেন।
উল্লেখ্য, ছাত্রদল থেকে পদত্যাগের পর
গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে বিরামপুর পৌরশহরের ধানহাটি মোড়ে জামায়াতের একটি 'যোগদান' অনুষ্ঠানে আরাফাত আল আবীর সহযোগী ফরম পূরণ করে জামায়াতে যোগদান করেন।
এ বিষয়ে ছাত্রদলের বিরামপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, ছাত্রদলের বিরামপুর উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আলিম হোসেন, আহ্বায়ক সদস্য আরাফাত আল আবীর ও পৌরশাখার ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত মিমের পদত্যাগপত্র পাওয়া গেছে। আলিম হোসেন তো দুই-তিন বছর আগে একবার পদত্যাগ করেছে। বিষয়টি তখন সংগঠনের বাহিরে কাউকে জানানো হয়নি। আর আরাফাত আল আবীরকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ছাত্রদলের দিনাজপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান আলী বলেন, আমার দপ্তরে ইয়াসির আরাফাত মিমের পদত্যাগপত্র পেয়েছি।
আমাদের সংগঠন তো আর ছোট না। কেউ যদি ছাত্রদল করতে না চায় তাকে তো আর জোর করা যাবে না। এ বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।