
ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ
মিজানুর রহমান, শিবগঞ্জ (বগুড়া)প্রতিনিধি: রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩ আশ্বিন, ১৪৩২
বগুড়ার শিবগঞ্জে এক নারীকে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডক্টরস ল্যাব এ্যান্ড তাওসিফ কনসালটেশন ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ঐ নারীর ছেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অফিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিবগঞ্জ উপজেলা আটমূল ইউনিয়নের কুড়াহার দামপাড়া গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের স্ত্রী শিউলী খাতুন নামের এক নারীর শরীরের কোমড়ের মেরুদণ্ডের হাড় ব্যথাসহ দেহে বেশকিছু অসুখে আক্রান্ত হয়। অসুস্থ মা কে চিকিৎসার জন্য গত মঙ্গলবার ( ২৪শে সেপ্টেম্বর) ১১টায় ডাক্তার দেখাতে শিবগঞ্জ নিয়ে আসেন ছেলে আরিয়ান সিয়াম। এসময় শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত “ডক্টরস ল্যাব এ্যান্ড তাওসিফ কনসলটেশন ডায়োগনষ্টিক সেন্টার নামক একটি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের সামনে ওঁৎ পেতে থাকা ঐ ডায়াগনষ্টিক সেন্টার” এর লোকজনেরা ভালো চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নাম করে ভিতরে নিয়ে যান।
এরপর ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক জুয়েল রহমান আরিয়ানের মাকে একটি ইনজেকশন পুশ করে অন্যান্য চিকিৎসা প্রদান করেন। এর কিছুক্ষণ অতিবাহিত হলে তার মা সুস্থতার চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর উক্ত ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের চিকিৎসকের চিকিৎসা পত্র অন্যান্য ডাক্তারদেরকে দেখালে তারা জানান, যে তার মা’কে ভুল চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।
বিষয়টি শুনে তাৎক্ষনাৎ ডক্টরস ল্যাব এ্যান্ড তাওসিফ কনসালটেশন সেন্টারে গেলে ডাক্তার সহ অজ্ঞাতনামা নার্সগণ বিভিন্ন রকমের তালবাহানামূলক কথাবার্তা বলতে থাকে।
একপর্যায়ে ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ভুল চিকিৎসা প্রদানকৃত ডাক্তার জুয়েল তাদেরকে এক হাজার টাকা দিয়ে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
তার মায়ের অসুস্থ বেশী হওয়ায় সে তার মাকে বাঁচাতে দ্রুত শিবগঞ্জ ত্যাগ করে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ায় যান।
এ বিষয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর পরিচালক জুয়েল এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, “আমি এ বিষয়ে আপনাকে কিছু বলতে চাই না।” আমি কিছু বললে,” তার উল্টো হয়ে যায়।” তিনি আরো বলেন, “আমি ষড়যন্ত্রের স্বীকার।” খোঁজ-খবর নিয়ে দেখেন, “রোগী সুস্থ আছেন এবং তারা অভিযোগ তুলে নিয়েছে।”
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিউলি বেগম এর মুঠোফোনে ফোন দিলে তার মেয়ে ইয়াছমিন বলেন, “ঐ ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসায় আমার মা বেশি অসুস্থ হলে আমার বগুড়ায় গিয়ে চিকিৎসা নেই।” তিনি আরো বলেন, “আমার জানামতে এখনো অভিযোগ তুলা হয়নি এবং কেউ আমাদের সাথে যোগাযোগ করেনি।”
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি । তদন্ত করে ঐ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷
























