০৫:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

পাঁচবিবিতে পুকুর পরিদর্শনে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা

  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • 167

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

পাঁচবিবি থেকে আকতার হোসেন বকুলঃ ১ অক্টোবর ২০২৫

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়ার মৃত আকবর আলীর ছেলে আরমান আলী আধুনিক মানের পুকুরে মাছ চাষ করছেন। কৃষি কাজের পাশাপাশি মাছ চাষে সে এখন সফল একজন আদর্শ মৎস্যচাষী। আরমান প্রথমে ছোট্ট পুকুর দিয়ে মাছ চাষ শুরু করলেও পরবর্তীতে এনজিও থেকে লোন করে ৮ বিঘার পুকুর তৈরি করেন। পুকুরপাড় জিওশিট বস্তা দিয়ে পাড় বাঁধে মাছের নিরাপত্তায় এবং পুকুরের চারপাশ সিমেন্টের পিলার ও জিআই তার দিয়ে বেড়া দিয়েছে। পুকুর পাড়ে সাড়ে ৩’শ সুপারির গাছ সহ বিভিন্ন সবজি চাষ করছে আরমান।

অল্প সময়ে অধিক লাভের আশায় আরমান তার পুকুরে পোনা মাছের পরিবর্তে হাঁফ কেজি ১’কেজি ওজনের প্রায় ১’মন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছাড়েন। এরমধ্যে তেলাপিয়া ১৮ হাজার, রুই-কাতলা ১০ হাজার ও হাংরি ২০ হাজার পিচ মাছ ছাড়েন যা ক্রয় করতে হয়েছে ৩৫ লাখ টাকায়।

মৎস্য চাষী আরমানের আধুনিক পুকুর পরিদর্শনে আসেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন ও প্রেসক্লাবের সম্পাদক সজল কুমার দাস। এসময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, মাছ চাষ লাভজনক হওয়ায় আরমানের মত অনেকেই একাজে এগিয়ে আসছে। দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে মৎস্য চাষীদের আমরা নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

বগুড়ার শেরপুরে ৬০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, ড্রাইভার ও হেল্পার গ্রেফতার

পাঁচবিবিতে পুকুর পরিদর্শনে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

পাঁচবিবি থেকে আকতার হোসেন বকুলঃ ১ অক্টোবর ২০২৫

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়ার মৃত আকবর আলীর ছেলে আরমান আলী আধুনিক মানের পুকুরে মাছ চাষ করছেন। কৃষি কাজের পাশাপাশি মাছ চাষে সে এখন সফল একজন আদর্শ মৎস্যচাষী। আরমান প্রথমে ছোট্ট পুকুর দিয়ে মাছ চাষ শুরু করলেও পরবর্তীতে এনজিও থেকে লোন করে ৮ বিঘার পুকুর তৈরি করেন। পুকুরপাড় জিওশিট বস্তা দিয়ে পাড় বাঁধে মাছের নিরাপত্তায় এবং পুকুরের চারপাশ সিমেন্টের পিলার ও জিআই তার দিয়ে বেড়া দিয়েছে। পুকুর পাড়ে সাড়ে ৩’শ সুপারির গাছ সহ বিভিন্ন সবজি চাষ করছে আরমান।

অল্প সময়ে অধিক লাভের আশায় আরমান তার পুকুরে পোনা মাছের পরিবর্তে হাঁফ কেজি ১’কেজি ওজনের প্রায় ১’মন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছাড়েন। এরমধ্যে তেলাপিয়া ১৮ হাজার, রুই-কাতলা ১০ হাজার ও হাংরি ২০ হাজার পিচ মাছ ছাড়েন যা ক্রয় করতে হয়েছে ৩৫ লাখ টাকায়।

মৎস্য চাষী আরমানের আধুনিক পুকুর পরিদর্শনে আসেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন ও প্রেসক্লাবের সম্পাদক সজল কুমার দাস। এসময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, মাছ চাষ লাভজনক হওয়ায় আরমানের মত অনেকেই একাজে এগিয়ে আসছে। দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে মৎস্য চাষীদের আমরা নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হয়।