ছবিঃ সংগৃহীত
নওগাঁ প্রতিনিধি: ৮ অক্টোবর, ২০২৫, ২৩ আশ্বিন, ১৪৩২
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, যেহেতু প্রতিক নিয়ে আইনগত কোন বাধা নেই সুতরাং এনসিপি আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে শাপলা প্রতিক নিয়েই অংশগ্রহণ করবে। আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে প্রতীকের ব্যাপারে পজেটিভ ছাড়া পাচ্ছি। আশা করি নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আস্থা ধরে রাখার কাজ করবে। এনসিপি এককভাবে নির্বাচনে যাবে নাকি, কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হবে, সে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন অনেকগুলো রাজনৈতিক দল একই পথে হাঁটবে, তখন দাবি, চিন্তাভাবনা, দেশ এবং জনগণের স্বার্থে কাজ করার বিষয়গুলো মিলে যায় তখন হতেই পারে জনগণের হয়ে একসাথে কোন দলের সঙ্গে নির্বাচনে যাওয়ার। এনসিপি এ বিষয়গুলোকে পজিটিভ ভাবেই দেখছে। কিন্তু এনসিপি থেকে এখনো চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কিছু উপদেষ্টা যারা দায়িত্বে গাফিলতি করে নির্বাচনের মাধ্যমে পদ ছাড়ার পথ খুঁজছেন, তাদের জন্য “মৃত্যু ছাড়া কোনো সেফ এক্সিট নেই। যেখানেই যাক না কেন, বাংলাদেশের মানুষ তাদের খুঁজে বের করবে।”
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে নওগাঁ জেলা এনসিপির সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, “এই দেশ লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে। যদি কেউ সেই শহীদদের ত্যাগের মূল্যায়ন না করে দায়িত্ব পালনে ভয় পায়, তাহলে তাদের এই পদে থাকার প্রয়োজন নেই। দায়িত্ব মানে সাহস। আর সে সাহস না থাকলে জনগণ তাদের রায় দেবে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের সৎ ও সচেতন নাগরিকরা চাইলে একটি কার্যকর রাজনৈতিক বিকল্প গঠন সম্ভব। আওয়ামী লীগের যেকোনো সংস্করণ আজ আর দেশের বাস্তবতায় প্রাসঙ্গিক নয়, এনসিপি এই অবস্থানেই অটল থাকবে।”
নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে সারজিস আলম বলেন, “শাপলা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে এনসিপির কোনো আইনগত বাধা নেই। তারপরও যদি কমিশন স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন না করে, তাহলে তা প্রমাণ করবে তারা গোষ্ঠীচাপের কাছে নত হয়েছে। এ ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা জনগণ মেনে নেবে না।”