০৫:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

কালাইয়ে অবৈধ চাল মজুদঃ ৬৬৭ বস্তা উদ্ধার, ডিলারসহ ৩ জনকে জরিমানা

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • 50

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ বৃহস্পতিবার ১৬ অক্টোবর ২০২৫, ৩১ আশ্বিন ১৪৩২

জয়পুরহাটের কালাইয়ে সুবিধাভোগীদের ৬৬৭ বস্তা চাল ডিলারের গুদাম থেকে বিক্রির অভিযোগ ওঠেছে। সেই চাল নিয়ে যাওয়ার পথে উত্তেজিত জনতা ক্রেতার ঘরে গিয়ে আটক করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার আহম্মেদাবাদ ইউনিয়নের ঝামুটপুর চান্দাইর দাখিল মাদ্রাসার পাশে একটি গুদাম থেকে মাত্রাই বাজারে নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত জনতা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ৬৬৭ বস্তা চাল আটক করেছে। উত্তেজিত জনতা চাল আটকের পর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করেন। পরে উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিলার আশরাফ আলী, মাত্রাই বাজারের চাল ব্যবসায়ী আলী আহম্মেদ ও হাতিয়র বাজারের চাল ব্যবসায়ী সোহরাব আলীকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। সাথে চালও জব্দ করেন। সরকারি চাল বিক্রি ও ক্রয়ের ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ডিলার আশরাফ আলীর ১০ হাজার ও চাল ক্রেতা সোহরাব আলীর ১৫ হাজার এবং আলী আহম্মেদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পাশাপাশি জব্দকৃত চালগুলো এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল বুধবার সকাল থেকে আহম্মেদাবাদ ইউনিয়নে সুবিধাভোগীদের মাঝে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর চাল বিতরণ করা হয়েছে। আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলী আকবরের ছোট ভাই আশরাফ আলী ডিলার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে চাল বিতরণ করে আসছেন। তিনি সুবিধাভোগীদের মাঝে বিতরণের জন্য গত মঙ্গলবার স্থানীয় খাদ্যগুদাম থেকে চালগুলো উত্তোলন করে ঝামুটপুর চান্দাইর দাখিল মাদ্রাসার পাশে একটি গুদামে সংরক্ষণ করেন। এরপর বুধবার ডিলার আশরাফ আলী, চাল ব্যবসায়ী আলী আহম্মেদ ও সোহরাব মিলে সুবিধাভোগীদেরকে ডেকে নিয়ে ৩০ কেজি চালের পরিবর্তে তাদের হাতে ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা করে ধরিয়ে দেন। তবে সুবিধাভোগীদের চাল ক্রয়-বিক্রয়ের কোনো নিয়ম নেই। তারপরও ডিলার ও দুই ব্যবসায়ী মিলে এসব সুবিধাভোগীদের চাল স্বল্প মুল্যে ক্রয় করেন এবং প্রকাশ্য আজ বৃহস্পতিবার সকালে নিয়ে যান। চালগুলো ডিলারের গুদাম থেকে ব্যবসায়ীদের গুদামে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতা আটক করেন। এরপর তারা কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করেন। পরে উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মাহমুদুন নবী ঘটনাস্থলে পৌছে ডিলার আশরাফ আলী এবং ব্যবসায়ী আলী আহম্মেদ ও সোহরাব আলীসহ চালগুলো জব্দ করে নিয়ে আসেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা আক্তার জাহান তাঁর কার্যালয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তিনজনের মোট ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন এবং জব্দকৃত চালগুলো বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও চাল আটকের ঘটনায় জড়িত আহম্মেদাবাদ ইউনিয়নের বোড়াই গ্রামের বাসিন্দা সাজ্জাদুর রহমান বলেন,‘গতকাল বুধবার ডিলার আশরাফ আলী সুবিধাভোগীদের ডেকে নিয়ে চালের পরিবর্তে টাকা দিয়েছেন। অনেকেই চাল বিতরণের বিষয়ে কিছুই জানেনা। আজ বৃহস্পতিবারও চাল বিতরণের কথা ছিল, কিন্তু ডিলার সেই চালগুলো বিতরণ না করে অল্প করে টাকা দিচ্ছেন। ডিলারের গুদাম থেকে যখন ভ্যান যোগে চালগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন আমিসহ বেশকয়েকজন মিলে ভ্যানের পিছনে পিছনে গিয়ে মাত্রাই বাজারে আলী আহম্মদের গুদামে গিয়ে চালগুলো আটক করি এবং ইউএনওকে খবর দেই।

চালের পরিবর্তে টাকা পাওয়া সুবিধাভোগী বোড়াই গ্রামের মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে ছফির উদ্দিন, একই গ্রামের লজির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হান্নান সহ অনেকেই জানান, এবার তারা চাল পাননি। ডিলার ৩০ কেজি চালের পরিবর্তে ৯০০ টাকা দিয়েছে। চাল নাকি বরাদ্দ নেই।

বোড়াই গ্রামের এনামুলের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন বলেন,‘৩০ কেজি চালের টাকা নিয়ে আবার বাজার থেকে ৫৮ টাকা কেজি দরে ১৫ কেজি করে চাল ক্রয় করেছি। চাল দিলে কি যে উপকার হত তা বলায় যাবেনা। কেন যে বার বার গরিবের পেটে লাথি মারা হয়, এর বিচারও হয়না। আমি এই ডিলারের লাইন্সেস বাতিলের দাবী করছি।’

আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল বাসেদ বলেন,‘আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চাল ঝামুটপুর ডিলারের গুদাম থেকেই সুবিধাভোগীদের মাঝে বিতরণ করার কথা, কিন্তু সেই চাল কেন মাত্রাই বা হাতিয়র বাজারে যাবে ? চাল বিতরণের বিষয়ে ডিলার আশরাফ আলী আমাকে কিছুই জানায়নি।

ডিলার আশরাফ আলী বলেন,‘চালগুলো সুবিধাভোগীদের নিকট বিতরণের পর ক্রয় করা হয়েছে। চালের পরিবর্তে যে টাকা দেওয়ার অভিযোগ করা হচ্ছে তা সঠিক না। আমিসহ ব্যবসায়ীরা মিলেই চালগুলো ক্রয় করেছি। তারপরও আমাদের জরিমানা করা হয়েছে এবং চালগুলো জব্দ করেছে।’

উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মাহমুদুন নবী বলেন,‘উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিলার ও দুই ব্যবসায়ীকে আটক করে নিয়ে আসা হয়েছে ও সাথে ২০ মেট্রিকটন চাল জব্দ করা হয়েছে। সরকারি চাল ক্রয়-বিক্রয়ের কোনও সুযোগ নেই।

কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামিমা আক্তার জাহান বলেন,‘খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিপণন আইন ২০২৩ (৬) ধারা মোতাবেক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দুই ব্যবসায়ীর ৬০ হাজার ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ডিলার আশরাফ আলীর ১০ হাজার টাকা জড়িমানা আদায় করা হয়েছে। সেই সাথে জব্দকৃত ২০ মেট্রিকটন চাল উপজেলার বেশকয়েকটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।’

জনপ্রিয়

বগুড়ার শেরপুরে ৬০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, ড্রাইভার ও হেল্পার গ্রেফতার

কালাইয়ে অবৈধ চাল মজুদঃ ৬৬৭ বস্তা উদ্ধার, ডিলারসহ ৩ জনকে জরিমানা

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ বৃহস্পতিবার ১৬ অক্টোবর ২০২৫, ৩১ আশ্বিন ১৪৩২

জয়পুরহাটের কালাইয়ে সুবিধাভোগীদের ৬৬৭ বস্তা চাল ডিলারের গুদাম থেকে বিক্রির অভিযোগ ওঠেছে। সেই চাল নিয়ে যাওয়ার পথে উত্তেজিত জনতা ক্রেতার ঘরে গিয়ে আটক করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার আহম্মেদাবাদ ইউনিয়নের ঝামুটপুর চান্দাইর দাখিল মাদ্রাসার পাশে একটি গুদাম থেকে মাত্রাই বাজারে নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত জনতা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ৬৬৭ বস্তা চাল আটক করেছে। উত্তেজিত জনতা চাল আটকের পর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করেন। পরে উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিলার আশরাফ আলী, মাত্রাই বাজারের চাল ব্যবসায়ী আলী আহম্মেদ ও হাতিয়র বাজারের চাল ব্যবসায়ী সোহরাব আলীকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। সাথে চালও জব্দ করেন। সরকারি চাল বিক্রি ও ক্রয়ের ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ডিলার আশরাফ আলীর ১০ হাজার ও চাল ক্রেতা সোহরাব আলীর ১৫ হাজার এবং আলী আহম্মেদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পাশাপাশি জব্দকৃত চালগুলো এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল বুধবার সকাল থেকে আহম্মেদাবাদ ইউনিয়নে সুবিধাভোগীদের মাঝে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর চাল বিতরণ করা হয়েছে। আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলী আকবরের ছোট ভাই আশরাফ আলী ডিলার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে চাল বিতরণ করে আসছেন। তিনি সুবিধাভোগীদের মাঝে বিতরণের জন্য গত মঙ্গলবার স্থানীয় খাদ্যগুদাম থেকে চালগুলো উত্তোলন করে ঝামুটপুর চান্দাইর দাখিল মাদ্রাসার পাশে একটি গুদামে সংরক্ষণ করেন। এরপর বুধবার ডিলার আশরাফ আলী, চাল ব্যবসায়ী আলী আহম্মেদ ও সোহরাব মিলে সুবিধাভোগীদেরকে ডেকে নিয়ে ৩০ কেজি চালের পরিবর্তে তাদের হাতে ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা করে ধরিয়ে দেন। তবে সুবিধাভোগীদের চাল ক্রয়-বিক্রয়ের কোনো নিয়ম নেই। তারপরও ডিলার ও দুই ব্যবসায়ী মিলে এসব সুবিধাভোগীদের চাল স্বল্প মুল্যে ক্রয় করেন এবং প্রকাশ্য আজ বৃহস্পতিবার সকালে নিয়ে যান। চালগুলো ডিলারের গুদাম থেকে ব্যবসায়ীদের গুদামে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতা আটক করেন। এরপর তারা কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করেন। পরে উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মাহমুদুন নবী ঘটনাস্থলে পৌছে ডিলার আশরাফ আলী এবং ব্যবসায়ী আলী আহম্মেদ ও সোহরাব আলীসহ চালগুলো জব্দ করে নিয়ে আসেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা আক্তার জাহান তাঁর কার্যালয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তিনজনের মোট ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন এবং জব্দকৃত চালগুলো বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও চাল আটকের ঘটনায় জড়িত আহম্মেদাবাদ ইউনিয়নের বোড়াই গ্রামের বাসিন্দা সাজ্জাদুর রহমান বলেন,‘গতকাল বুধবার ডিলার আশরাফ আলী সুবিধাভোগীদের ডেকে নিয়ে চালের পরিবর্তে টাকা দিয়েছেন। অনেকেই চাল বিতরণের বিষয়ে কিছুই জানেনা। আজ বৃহস্পতিবারও চাল বিতরণের কথা ছিল, কিন্তু ডিলার সেই চালগুলো বিতরণ না করে অল্প করে টাকা দিচ্ছেন। ডিলারের গুদাম থেকে যখন ভ্যান যোগে চালগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন আমিসহ বেশকয়েকজন মিলে ভ্যানের পিছনে পিছনে গিয়ে মাত্রাই বাজারে আলী আহম্মদের গুদামে গিয়ে চালগুলো আটক করি এবং ইউএনওকে খবর দেই।

চালের পরিবর্তে টাকা পাওয়া সুবিধাভোগী বোড়াই গ্রামের মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে ছফির উদ্দিন, একই গ্রামের লজির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হান্নান সহ অনেকেই জানান, এবার তারা চাল পাননি। ডিলার ৩০ কেজি চালের পরিবর্তে ৯০০ টাকা দিয়েছে। চাল নাকি বরাদ্দ নেই।

বোড়াই গ্রামের এনামুলের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন বলেন,‘৩০ কেজি চালের টাকা নিয়ে আবার বাজার থেকে ৫৮ টাকা কেজি দরে ১৫ কেজি করে চাল ক্রয় করেছি। চাল দিলে কি যে উপকার হত তা বলায় যাবেনা। কেন যে বার বার গরিবের পেটে লাথি মারা হয়, এর বিচারও হয়না। আমি এই ডিলারের লাইন্সেস বাতিলের দাবী করছি।’

আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল বাসেদ বলেন,‘আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চাল ঝামুটপুর ডিলারের গুদাম থেকেই সুবিধাভোগীদের মাঝে বিতরণ করার কথা, কিন্তু সেই চাল কেন মাত্রাই বা হাতিয়র বাজারে যাবে ? চাল বিতরণের বিষয়ে ডিলার আশরাফ আলী আমাকে কিছুই জানায়নি।

ডিলার আশরাফ আলী বলেন,‘চালগুলো সুবিধাভোগীদের নিকট বিতরণের পর ক্রয় করা হয়েছে। চালের পরিবর্তে যে টাকা দেওয়ার অভিযোগ করা হচ্ছে তা সঠিক না। আমিসহ ব্যবসায়ীরা মিলেই চালগুলো ক্রয় করেছি। তারপরও আমাদের জরিমানা করা হয়েছে এবং চালগুলো জব্দ করেছে।’

উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মাহমুদুন নবী বলেন,‘উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিলার ও দুই ব্যবসায়ীকে আটক করে নিয়ে আসা হয়েছে ও সাথে ২০ মেট্রিকটন চাল জব্দ করা হয়েছে। সরকারি চাল ক্রয়-বিক্রয়ের কোনও সুযোগ নেই।

কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামিমা আক্তার জাহান বলেন,‘খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিপণন আইন ২০২৩ (৬) ধারা মোতাবেক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দুই ব্যবসায়ীর ৬০ হাজার ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ডিলার আশরাফ আলীর ১০ হাজার টাকা জড়িমানা আদায় করা হয়েছে। সেই সাথে জব্দকৃত ২০ মেট্রিকটন চাল উপজেলার বেশকয়েকটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।’