০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

মোঃ মাসুদ রানা প্রধান — জয়পুরহাট‑১ আসনে মনোনয়ন, সংগ্রাম ও গণসংযোগ

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • 186

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ৩ নভেম্বর ২০২৫

জয়পুরহাট ১ আসন থেকে মাসুদ রানা বিএনপি এমপি প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়। জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি উপজেলা অন্তর্ভুক্ত জয়পুরহাট‑১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বাভাস গত কয়েক মাস থেকে রাজনৈতিক উত্তেজনায় হয় — রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়নপ্রত্যাশী ঘোষণা করছে, পথসভা-মিছিল পার করছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এই আসনে ইতিমধ্যে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী নিয়ে আলোচনা চালিয়ে গেছে। তারই ধারায় জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ মাসুদ রানা প্রধানকে ব্যাপকভাবে মনোনয়নপ্রার্থী হিসেবে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। অবশেষে শেষ হাসি হাসলেন জয়পুরহাট জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মাসুদ রানা প্রধান।

ফিরে দেখাঃ

মনোনয়ন ঘিরে অবস্থানঃ
জয়পুরহাট-১ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় মাসুদ রানা প্রধান সবার মধ্যে রয়েছেন। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে তিনি সাংগঠনিক ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। ২০ জুন ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে: “মাঠে জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে ইনশাআল্লাহ ধানের শীষ বিজয়ী হবে”।

সংগ্রাম ও জনসংযোগ, মিছিল ও সমাবেশঃ

৬ আগস্ট ২০২৫-এ জয়পুরহাটে জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের বার্ষিকতায় একটি বিজয় মিছিল হয়। জেলা বিএনপির অংশগ্রহণ ছিল সক্রিয়। প্রতিদিন চালিয়েছেন নির্বাচনী প্রচারণা। পথসভায় স্লোগান ও লিফলেট বিতরণ দেখা গেছে যেখানে তার অংশগ্রহণ ছিল স্পষ্ট।

তিনি নির্বাচনী বক্তৃতায় বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা মাঠে নেমেছি”। প্রতিষ্ঠানগতভাবে তিনি জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় রয়েছেন।

রাজনৈতিক চিত্র ও প্রেক্ষাপটঃ
জয়পুরহাট জেলা দুটি সংসদীয় আসন নিয়ে রয়েছে: জয়পুরহাট-১ ও জয়পুরহাট-২। এর মধ্যে জয়পুরহাট-১ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সংখ্যা বেশ ছিল। ১৯৯১–২০০৮ সাল পর্যন্ত এই আসনে বিএনপির জয় ছিল, তবে পরবর্তী সময়ে অবস্থান পাল্টেছে বলে বিশ্লেষণ পাওয়া যায়।

মাসুদ রানা প্রধানের মনোনয়ন ও নির্বাচনী প্রস্তুতির ভাবমূর্তি গুরুত্ব পেয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে তিনি দলের ৩১ দফা রূপরেখার প্রয়োগ ও গণসংযোগে বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছেন।

চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনাঃ
বিজয়ের পথে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, মনোনয়নপ্রত্যাশীর রয়েছে বিপুল সম্ভাব্যতা।
সংগঠনগতভাবে দলে তার অবস্থান মজবুত। জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগ ও দলে সম্মিলিত শক্তি কীভাবে কাজে লাগান হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

 

জনপ্রিয়

বগুড়ার শেরপুরে ৬০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, ড্রাইভার ও হেল্পার গ্রেফতার

মোঃ মাসুদ রানা প্রধান — জয়পুরহাট‑১ আসনে মনোনয়ন, সংগ্রাম ও গণসংযোগ

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ৩ নভেম্বর ২০২৫

জয়পুরহাট ১ আসন থেকে মাসুদ রানা বিএনপি এমপি প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়। জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি উপজেলা অন্তর্ভুক্ত জয়পুরহাট‑১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বাভাস গত কয়েক মাস থেকে রাজনৈতিক উত্তেজনায় হয় — রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়নপ্রত্যাশী ঘোষণা করছে, পথসভা-মিছিল পার করছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এই আসনে ইতিমধ্যে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী নিয়ে আলোচনা চালিয়ে গেছে। তারই ধারায় জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ মাসুদ রানা প্রধানকে ব্যাপকভাবে মনোনয়নপ্রার্থী হিসেবে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। অবশেষে শেষ হাসি হাসলেন জয়পুরহাট জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মাসুদ রানা প্রধান।

ফিরে দেখাঃ

মনোনয়ন ঘিরে অবস্থানঃ
জয়পুরহাট-১ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় মাসুদ রানা প্রধান সবার মধ্যে রয়েছেন। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে তিনি সাংগঠনিক ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। ২০ জুন ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে: “মাঠে জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে ইনশাআল্লাহ ধানের শীষ বিজয়ী হবে”।

সংগ্রাম ও জনসংযোগ, মিছিল ও সমাবেশঃ

৬ আগস্ট ২০২৫-এ জয়পুরহাটে জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের বার্ষিকতায় একটি বিজয় মিছিল হয়। জেলা বিএনপির অংশগ্রহণ ছিল সক্রিয়। প্রতিদিন চালিয়েছেন নির্বাচনী প্রচারণা। পথসভায় স্লোগান ও লিফলেট বিতরণ দেখা গেছে যেখানে তার অংশগ্রহণ ছিল স্পষ্ট।

তিনি নির্বাচনী বক্তৃতায় বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা মাঠে নেমেছি”। প্রতিষ্ঠানগতভাবে তিনি জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় রয়েছেন।

রাজনৈতিক চিত্র ও প্রেক্ষাপটঃ
জয়পুরহাট জেলা দুটি সংসদীয় আসন নিয়ে রয়েছে: জয়পুরহাট-১ ও জয়পুরহাট-২। এর মধ্যে জয়পুরহাট-১ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সংখ্যা বেশ ছিল। ১৯৯১–২০০৮ সাল পর্যন্ত এই আসনে বিএনপির জয় ছিল, তবে পরবর্তী সময়ে অবস্থান পাল্টেছে বলে বিশ্লেষণ পাওয়া যায়।

মাসুদ রানা প্রধানের মনোনয়ন ও নির্বাচনী প্রস্তুতির ভাবমূর্তি গুরুত্ব পেয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে তিনি দলের ৩১ দফা রূপরেখার প্রয়োগ ও গণসংযোগে বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছেন।

চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনাঃ
বিজয়ের পথে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, মনোনয়নপ্রত্যাশীর রয়েছে বিপুল সম্ভাব্যতা।
সংগঠনগতভাবে দলে তার অবস্থান মজবুত। জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগ ও দলে সম্মিলিত শক্তি কীভাবে কাজে লাগান হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।