ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ
মিজানুর রহমান, শিবগঞ্জ প্রতিনিধি (বগুড়া): ২৬ নভেম্বর ২০২৫
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের শীতল পাড়া চারমাথা থেকে গাংনাই নদীর ব্রিজ পর্যন্ত দীর্ঘদিন অবহেলিত কাঁচা রাস্তাটি অবশেষে স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করেছে ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল থেকে দিনব্যাপী এ স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নেয় উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা।
সংস্কার কার্যক্রমের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব আলম মানিক। মাঠপর্যায়ে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন যুবদল নেতা রাসেল মাহমুদ সবুজ।
সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটিতে বড় বড় খানাখন্দক তৈরি হয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছিল। কোন রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, স্কুল–কলেজ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াত, এমনকি মোটরসাইকেল বা অটোরিকশা চলাচল—সব কিছুই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর এই সড়কটি সংস্কারের জন্য কেউ উদ্যোগ নেয়নি।
ইউনিয়ন বিএনপির স্বেচ্ছাশ্রমে মাটি ফেলে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করে তোলা হলে স্বস্তি ফিরে আসে সাধারণ মানুষের মধ্যে। স্থানীয়দের ভাষ্যে—“বিএনপির এই উদ্যোগে ভাঙা রাস্তাটি আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে।”
ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইনুল হক মেম্বার বলেন, কিচক ইউনিয়নের সংযোগ সড়কগুলো দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থায় ছিল। বর্ষার পানিতে রাস্তা ভেঙে গিয়ে বড় গর্ত তৈরি হয়। তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলমের নির্দেশনায় নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাশ্রমে কাজে নেমেছেন।
স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মুরাদ বলেন, স্থানীয়দের চলাচলের কষ্ট দূর করতেই বিএনপি নেতাকর্মীরা নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তাসংস্কারের উদ্যোগ নেন। তিনি আরও জানান, ধানের শীষের মনোনীত এমপি প্রার্থী মীর শাহে আলম ছাড়া শিবগঞ্জে বাস্তব উন্নয়ন সম্ভব নয়।
রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী অটোচালক আব্দুস সোবহান ও শিক্ষার্থী দিনার আহমেদ বলেন, বড় বড় গর্তের কারণে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হতো। এখন অনেকটাই স্বস্তি।
কলেজ ছাত্র মেহেদী জানান, শুধু রাস্তাই নয়—ইতিমধ্যে মাঠ, মন্দির–মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অসুস্থদের চিকিৎসাসহ বহু সামাজিক কাজে এগিয়ে আসছেন শিবগঞ্জের এমপি প্রার্থী মীর শাহে আলম।
সংশ্লিষ্ট কাজে উপস্থিত ছিলেন যুবদলের সভাপতি আকরামুল আহসান শাহী, দপ্তর সম্পাদক আহসান হাবিব বাবুল, কৃষকদলের সভাপতি জুয়েল শেখসহ বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিএনপির এই সৎকর্ম প্রমাণ করে তারা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী—আর তাই জনদুর্ভোগ দূরীকরণে সবসময় পাশে থাকে।