০৫:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

পাঁচবিবির গণধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি অনিক র‌্যাবের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার

  • প্রকাশের সময় : ১০:০৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • 77

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

জাহিদুল ইসলাম (জাহিদ), স্টাফ রিপোর্টারঃ ২৮ নভেম্বর ২০২৫

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) সন্ত্রাস, জঙ্গি, মাদক, অস্ত্র, হত্যা ও ধর্ষণসহ নানা অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে। এরই অংশ হিসেবে পাঁচবিবি উপজেলার বহুল আলোচিত গণধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি অনিক (৩২)—কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫ ও র‌্যাব-১৩-এর যৌথ দল।

২৭ নভেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ২০ মিনিটে দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানার চাউলপট্টি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৮ নভেম্বর সকালে র‌্যাব-৫, জয়পুরহাট ক্যাম্পের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

ঘটনার বিবরণঃ
জানা যায়, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানার মো. মোস্তাক আহম্মেদের মেয়ের সঙ্গে স্বপন হোসেন নামে এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পারিবারিক ঝগড়ার পর ৬ অক্টোবর রাত ১টার দিকে ভিকটিম রাগ করে বাসা থেকে বের হয়ে পাঁচবিবি পৌর পার্কে যায়। সেখানে তার পরিচিত যুবক ১ নম্বর আসামি মো. রবিউল ইসলাম রেজার সঙ্গে দেখা হয়।

এক পর্যায়ে রেজা তার বন্ধু অনিককে ফোনে ডেকে আনে। তারা দু’জন ভিকটিমকে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পার্কের পুকুরপাড়ের দক্ষিণ পাশে বসার স্থানে নিয়ে যায়। পরে ৭ অক্টোবর রাত ১২টা ১৫ মিনিটে তারা ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং কাউকে জানালে মানসম্মান নষ্ট করার হুমকি দেয়। রাত ৪টার দিকে মোটরসাইকেলে করে ভিকটিমকে তার বাড়ির সামনে পৌঁছে দিয়ে পালিয়ে যায়।

পরিবার ঘটনাটি জানতে পারলে পরদিন ৯ অক্টোবর পাঁচবিবি থানায় মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং–০৯/২০২৫, ধারা–নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ৯(৩))।

গ্রেফতার অভিযানঃ
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের সহায়তা চেয়ে আবেদন করলে র‌্যাব-৫ সিপিসি-৩ (জয়পুরহাট) আসামি গ্রেফতারে তৎপর হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫ ও র‌্যাব-১৩ সিপিসি-১ (দিনাজপুর) এর যৌথ দল চাউলপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি অনিককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারের পর তাকে পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

জনপ্রিয়

বগুড়ার শেরপুরে ৬০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, ড্রাইভার ও হেল্পার গ্রেফতার

পাঁচবিবির গণধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি অনিক র‌্যাবের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার

প্রকাশের সময় : ১০:০৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

জাহিদুল ইসলাম (জাহিদ), স্টাফ রিপোর্টারঃ ২৮ নভেম্বর ২০২৫

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) সন্ত্রাস, জঙ্গি, মাদক, অস্ত্র, হত্যা ও ধর্ষণসহ নানা অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে। এরই অংশ হিসেবে পাঁচবিবি উপজেলার বহুল আলোচিত গণধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি অনিক (৩২)—কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫ ও র‌্যাব-১৩-এর যৌথ দল।

২৭ নভেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ২০ মিনিটে দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানার চাউলপট্টি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৮ নভেম্বর সকালে র‌্যাব-৫, জয়পুরহাট ক্যাম্পের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

ঘটনার বিবরণঃ
জানা যায়, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানার মো. মোস্তাক আহম্মেদের মেয়ের সঙ্গে স্বপন হোসেন নামে এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পারিবারিক ঝগড়ার পর ৬ অক্টোবর রাত ১টার দিকে ভিকটিম রাগ করে বাসা থেকে বের হয়ে পাঁচবিবি পৌর পার্কে যায়। সেখানে তার পরিচিত যুবক ১ নম্বর আসামি মো. রবিউল ইসলাম রেজার সঙ্গে দেখা হয়।

এক পর্যায়ে রেজা তার বন্ধু অনিককে ফোনে ডেকে আনে। তারা দু’জন ভিকটিমকে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পার্কের পুকুরপাড়ের দক্ষিণ পাশে বসার স্থানে নিয়ে যায়। পরে ৭ অক্টোবর রাত ১২টা ১৫ মিনিটে তারা ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং কাউকে জানালে মানসম্মান নষ্ট করার হুমকি দেয়। রাত ৪টার দিকে মোটরসাইকেলে করে ভিকটিমকে তার বাড়ির সামনে পৌঁছে দিয়ে পালিয়ে যায়।

পরিবার ঘটনাটি জানতে পারলে পরদিন ৯ অক্টোবর পাঁচবিবি থানায় মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং–০৯/২০২৫, ধারা–নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ৯(৩))।

গ্রেফতার অভিযানঃ
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের সহায়তা চেয়ে আবেদন করলে র‌্যাব-৫ সিপিসি-৩ (জয়পুরহাট) আসামি গ্রেফতারে তৎপর হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫ ও র‌্যাব-১৩ সিপিসি-১ (দিনাজপুর) এর যৌথ দল চাউলপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি অনিককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারের পর তাকে পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।