০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ক্ষেতলালে সমাজসেবা অফিস সহায়ক জনির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ০৫:১০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 46

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ
২০ ডিসেম্বর ২০২৫

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের একটি অফিস কক্ষ থেকে মাহবুব আলম জনি (৩৫) নামের এক অফিস সহায়কের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (আজ) দুপুরে খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

নিহত মাহবুব আলম জনি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার দুর্গাহাটা ইউনিয়নের বটিয়া ভাঙা গ্রামের খায়রুল ইসলামের ছেলে। তিনি ২০১৮ সালের ২ ডিসেম্বর ক্ষেতলাল উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে অফিস সহায়ক হিসেবে যোগদান করেন। চাকরির প্রয়োজনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কার্যালয়ের ভেতরেই রাতযাপন করতেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার সকালে কার্যালয়ের ঝাড়ুদার অফিস কক্ষ পরিষ্কার করতে গিয়ে জনিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তিনি চিৎকার করলে বিষয়টি জানাজানি হয় এবং পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় জনির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শনিবার সকালে খোঁজ নিতে গিয়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি জানা যায়।

এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।” ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জনপ্রিয়

বগুড়ার শেরপুরে ৬০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, ড্রাইভার ও হেল্পার গ্রেফতার

ক্ষেতলালে সমাজসেবা অফিস সহায়ক জনির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৫:১০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ
২০ ডিসেম্বর ২০২৫

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের একটি অফিস কক্ষ থেকে মাহবুব আলম জনি (৩৫) নামের এক অফিস সহায়কের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (আজ) দুপুরে খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

নিহত মাহবুব আলম জনি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার দুর্গাহাটা ইউনিয়নের বটিয়া ভাঙা গ্রামের খায়রুল ইসলামের ছেলে। তিনি ২০১৮ সালের ২ ডিসেম্বর ক্ষেতলাল উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে অফিস সহায়ক হিসেবে যোগদান করেন। চাকরির প্রয়োজনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কার্যালয়ের ভেতরেই রাতযাপন করতেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার সকালে কার্যালয়ের ঝাড়ুদার অফিস কক্ষ পরিষ্কার করতে গিয়ে জনিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তিনি চিৎকার করলে বিষয়টি জানাজানি হয় এবং পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় জনির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শনিবার সকালে খোঁজ নিতে গিয়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি জানা যায়।

এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।” ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।