০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

গোবিন্দগঞ্জে আইপিসিপি প্রকল্পের তপসিয়া খাল উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 68

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এলজিইডির দ্বিতীয় সংশোধিত IPCP কর্মসূচির আওতায় তপসিয়া খাল উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় ও কাজের পরিমাণের মধ্যে অসংগতি রয়েছে, যা পুনর্বিবেচনার দাবি তৈরি করেছে।

জানা গেছে, ২০২৩–২০২৪ অর্থবছরে IPCP প্রকল্পের আওতায় তপসিয়া খালের প্রায় ১ দশমিক ৩ কিলোমিটার অংশে মাটি কাটার কাজ সম্পন্ন করা হয়, যার ব্যয় ছিল প্রায় ২৪ লাখ টাকা। ওই অংশে বর্তমানে খালের গভীরতা ও পানি বিদ্যমান রয়েছে।

তবে একই খালের জন্য নতুন করে প্রায় ৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য দেখিয়ে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব গ্রহণ ও অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (IPCP) মো. ফয়সাল হোসেন চৌধুরী জানান, প্রকল্প প্রস্তাবে ৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অন্যদিকে, এলজিইডির ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ প্রকল্প (DRSSWRMP)-এর আওতায় ‘দেওয়ানতলা সুইচগেট হতে পুনতাইড় খাল ও শিংজানী ফকিরপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত খাল খনন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ কিলোমিটার এবং ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ লাখ ৯০ হাজার ৭০৭ টাকা। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির মাধ্যমে কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে গড়িমসি করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. মাহবুবুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পটি আপাতত স্থগিত করার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন।

ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ প্রকল্পের পরিচালক মো. এনামুল কবীর বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, পুনতাইড় খাল খনন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তুলনামূলক কম ব্যয়ে কার্যকর উন্নয়ন সম্ভব হবে। এ প্রেক্ষিতে তারা সরকারি অর্থের সাশ্রয় ও প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জনপ্রিয়

বগুড়ার শেরপুরে ৬০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, ড্রাইভার ও হেল্পার গ্রেফতার

গোবিন্দগঞ্জে আইপিসিপি প্রকল্পের তপসিয়া খাল উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এলজিইডির দ্বিতীয় সংশোধিত IPCP কর্মসূচির আওতায় তপসিয়া খাল উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় ও কাজের পরিমাণের মধ্যে অসংগতি রয়েছে, যা পুনর্বিবেচনার দাবি তৈরি করেছে।

জানা গেছে, ২০২৩–২০২৪ অর্থবছরে IPCP প্রকল্পের আওতায় তপসিয়া খালের প্রায় ১ দশমিক ৩ কিলোমিটার অংশে মাটি কাটার কাজ সম্পন্ন করা হয়, যার ব্যয় ছিল প্রায় ২৪ লাখ টাকা। ওই অংশে বর্তমানে খালের গভীরতা ও পানি বিদ্যমান রয়েছে।

তবে একই খালের জন্য নতুন করে প্রায় ৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য দেখিয়ে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব গ্রহণ ও অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (IPCP) মো. ফয়সাল হোসেন চৌধুরী জানান, প্রকল্প প্রস্তাবে ৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অন্যদিকে, এলজিইডির ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ প্রকল্প (DRSSWRMP)-এর আওতায় ‘দেওয়ানতলা সুইচগেট হতে পুনতাইড় খাল ও শিংজানী ফকিরপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত খাল খনন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ কিলোমিটার এবং ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ লাখ ৯০ হাজার ৭০৭ টাকা। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির মাধ্যমে কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে গড়িমসি করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. মাহবুবুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পটি আপাতত স্থগিত করার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন।

ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ প্রকল্পের পরিচালক মো. এনামুল কবীর বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, পুনতাইড় খাল খনন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তুলনামূলক কম ব্যয়ে কার্যকর উন্নয়ন সম্ভব হবে। এ প্রেক্ষিতে তারা সরকারি অর্থের সাশ্রয় ও প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।