ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ
স্টাফ রিপোর্টারঃ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
বিএনপি চেয়ারপার্সন, আপোষহীন গণতন্ত্রের প্রতীক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারাদেশের ন্যায় জয়পুরহাটেও নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। প্রিয় নেত্রীকে হারিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝেও বিরাজ করছে হৃদয়বিদারক শোক ও বেদনাবিধুর পরিবেশ।
আজ মঙ্গলবার বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে জয়পুরহাট জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আবেগে ভেঙে পড়েন। অনেকের চোখে দেখা যায় অশ্রু, মুখে শোনা যায় দীর্ঘশ্বাস। অনেকে এই মৃত্যুকে দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি বলে উল্লেখ করেন।
মরহুমা নেত্রীর আত্মার মাগফিরাত কামনায় জয়পুরহাটে বিএনপির উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল, কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণসহ নানা শোক কর্মসূচি পালন করা হয়। দলীয় কার্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নীরবতার মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয় প্রয়াত এই নেত্রীকে।
এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ এইচ এম ওবায়দুর রহমান চন্দন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়সাল আলিম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ধানের শীষের প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধান, যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব, জয়পুরহাট-২ আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সেলিম রেজা ডিউক, সদস্য সচিব মনজুরে মওলা পলাশ, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক এ টি এম শাহনেওয়াজ কবির শুভ্র, সাবেক সদস্য সচিব মুক্তাদুল হক আদনান এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মামুনুর রশীদ প্রধানসহ আরও নেতৃবৃন্দ।
শোকাহত নেতৃবৃন্দ বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এ দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানুষের অধিকার রক্ষার এক অবিচল সৈনিক। তাঁর মৃত্যুতে দেশ একজন সাহসী ও আপোষহীন নেতৃত্বকে হারালো।”
এসময় জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুবকর সিদ্দিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং পরিবেশ ছিল ভারী ও নীরবতায় আচ্ছন্ন।
প্রিয় নেত্রীকে হারিয়ে জয়পুরহাটবাসী আজ শোকস্তব্ধ—দোয়া আর অশ্রুতে ভেজা এক গভীর বেদনাময় দিনে পরিণত হয়েছে পুরো জেলা।