০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

জয়পুরহাটে ফেসবুক প্রচারণায় আচরণবিধি লঙ্ঘন

  • প্রকাশের সময় : ০৪:১৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • 35

ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ৬ ডিসেম্বর ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দুই সংসদ সদস্য প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।

নোটিশপ্রাপ্তরা হলেন— বিএনপি মনোনীত জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনের প্রার্থী মো. আব্দুল বারী এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত একই আসনের প্রার্থী এস.এম রাশেদুল আলম।

নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির নির্দেশনায় আগামী ১১ জানুয়ারি উভয় প্রার্থীকে স্ব-শরীরে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে জয়পুরহাট-২ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিচারক ও সিনিয়র সিভিল জজ মো. ফয়সাল আহমেদ লিখিতভাবে এ নির্দেশ প্রদান করেন। বিষয়টি তিনি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিএনপি প্রার্থী মো. আব্দুল বারীর সমর্থকরা গত ২৩ ডিসেম্বর, ২৮ ডিসেম্বর ও ৪ জানুয়ারি বিভিন্ন তারিখে জয়পুরহাট-২ আসনের বিভিন্ন এলাকা ও হাট-বাজারে ধানের শীষ প্রতীক সম্বলিত হ্যান্ডবিল বিতরণ ও গণসংযোগে অংশ নেন। এসব কর্মকাণ্ডের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নির্বাচন আচরণবিধির পরিপন্থী।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী এস.এম রাশেদুল আলমের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি (Rashedul Alom Sabuj) থেকে গত ২৭ ডিসেম্বর, ১ জানুয়ারি ও ৪ জানুয়ারি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে পোস্টার ও প্রচারণামূলক পোস্ট দেওয়া হয় বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৮ লঙ্ঘনের শামিল। তাই কেন তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময়সীমা ৫–৯ জানুয়ারি, নিষ্পত্তি ১০–১৮ জানুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

জনপ্রিয়

বগুড়ার শেরপুরে ৬০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, ড্রাইভার ও হেল্পার গ্রেফতার

জয়পুরহাটে ফেসবুক প্রচারণায় আচরণবিধি লঙ্ঘন

প্রকাশের সময় : ০৪:১৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ৬ ডিসেম্বর ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দুই সংসদ সদস্য প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।

নোটিশপ্রাপ্তরা হলেন— বিএনপি মনোনীত জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনের প্রার্থী মো. আব্দুল বারী এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত একই আসনের প্রার্থী এস.এম রাশেদুল আলম।

নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির নির্দেশনায় আগামী ১১ জানুয়ারি উভয় প্রার্থীকে স্ব-শরীরে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে জয়পুরহাট-২ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিচারক ও সিনিয়র সিভিল জজ মো. ফয়সাল আহমেদ লিখিতভাবে এ নির্দেশ প্রদান করেন। বিষয়টি তিনি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিএনপি প্রার্থী মো. আব্দুল বারীর সমর্থকরা গত ২৩ ডিসেম্বর, ২৮ ডিসেম্বর ও ৪ জানুয়ারি বিভিন্ন তারিখে জয়পুরহাট-২ আসনের বিভিন্ন এলাকা ও হাট-বাজারে ধানের শীষ প্রতীক সম্বলিত হ্যান্ডবিল বিতরণ ও গণসংযোগে অংশ নেন। এসব কর্মকাণ্ডের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নির্বাচন আচরণবিধির পরিপন্থী।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী এস.এম রাশেদুল আলমের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি (Rashedul Alom Sabuj) থেকে গত ২৭ ডিসেম্বর, ১ জানুয়ারি ও ৪ জানুয়ারি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে পোস্টার ও প্রচারণামূলক পোস্ট দেওয়া হয় বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৮ লঙ্ঘনের শামিল। তাই কেন তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময়সীমা ৫–৯ জানুয়ারি, নিষ্পত্তি ১০–১৮ জানুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।