ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ
স্টাফ রিপোর্টারঃ ২৩ জুন ২০২৬
জন্মগত জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত চার বছর বয়সী শিশু রাগীব ইশরাক রিহানকে বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে বিদেশে দ্বিতীয়বারের মতো হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। তবে চিকিৎসার বিপুল ব্যয় বহন করতে না পেরে অসহায় পরিবারটি সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে।
রিহান নওগাঁর পত্নীতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধি মো. ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদের একমাত্র সন্তান। জন্মের পর থেকেই শিশুটি হার্টের দুটি রক্তনালি ব্লক, হৃদযন্ত্রে দুটি ছিদ্রসহ বিভিন্ন জটিল সমস্যা নিয়ে জীবনযুদ্ধ শুরু করে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভারতের বেঙ্গালুরুর নারায়ণা হেলথ হাসপাতালে ২০২৪ সালের ১০ মে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রিহানের প্রথম মাইক্রো সার্জারি সম্পন্ন হয়। অস্ত্রোপচারের পর তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও হৃদযন্ত্রের দুটি ছিদ্র ও অবশিষ্ট রক্তনালির সমস্যার কারণে বর্তমানে সে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।
বর্তমানে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের নবজাতক, শিশু ও স্ট্রাকচারাল ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. নুরুন নাহার ফাতেমার তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে রিহান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির জীবন রক্ষায় দ্রুত ওপেন হার্ট সার্জারির মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের ছিদ্র বন্ধ এবং রক্তনালির জটিলতা দূর করা জরুরি। এ জন্য বিদেশে বিশেষজ্ঞ চাইল্ড কার্ডিয়াক সার্জনের মাধ্যমে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, অস্ত্রোপচার ও আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি প্রয়োজন। ইতোমধ্যে প্রথম অস্ত্রোপচারের ব্যয় বহন করতে গিয়ে রিহানের বাবা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ পরিবারের সঞ্চিত সম্পদ হারিয়েছেন এবং ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে বসতভিটা ছাড়া তাদের আর কোনো সহায়-সম্বল নেই।
এ অবস্থায় শিশুটির চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী, দানশীল ব্যক্তি ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবার।
সহযোগিতা পাঠানোর জন্য:
বিকাশ/নগদ/রকেট (পার্সোনাল): ০১৭২৮৬৩৭৪৪০ (মো. ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ)
ব্যাংক হিসাব: মো. ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ হিসাব নম্বর: ৪৮১৬০০২০৭৭০৮৬ সোনালী ব্যাংক পিএলসি, পত্নীতলা শাখা, নওগাঁ।
মানবিক সহায়তা ও সবার দোয়া পেলে শিশু রিহান আবারও