
স্টাফ রিপোর্টারঃ সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা ১৭টি ইউনিয়নে নিয়োজিত ৪৩ জন ডিলারের মধ্যে দুইজনকে জামানাতের টাকা ফেরত দিলেও বাকিদের হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলার কারণে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় নিয়োগকৃত ডিলার গন পরিবর্তন এক বছর সময় পেরিয়ে গেলেও তাদের জামানতের প্রত্যেক ডিলার এর ২০০০০/= বিশ হাজার টাকা জমা থাকলেও এক বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের জামানতের টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীগণ।
কয়েকজন ভুক্তভোগী এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের উপখাদ্য পরিদর্শক মোঃ জয়নুল আবেদীন খন্দকার প্রতি ডিলারের নিকট থেকে ৪০০০ করে টাকা ঘুষ দাবি করছেন। যারা তার দাবি অনুযায়ী টাকা দিচ্ছে তাদেরকে ২০ হাজার টাকা উঠানের জন্য কাগজপত্র ঠিক করে দিচ্ছে।
সোনালী ব্যাংকসহ অন্য ব্যাংকে জামানতের টাকা দেওয়ার টোকন ওই উপ খাদ্য পরিদর্শক জয়নুল আবেদীন খন্দকার ডিলারদের কাছ থেকে জমা নিচ্ছেন এবং যারা তার দাবী কৃত টাকা দিচ্ছেন তাদেরকে টাকা উত্তোলনের সহযোগিতা করছেন যারা দিচ্ছেন না তাদেরকে হয়রানি করছেন এবং জমা নেওয়া টোকন ফেরত দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়েই উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন ব্যাংকে কিছু খরচ হচ্ছে। তাকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করা হয় যে জামানত এর ২০ হাজার টাকা কারো ১০ বছর এবং্্ছয় বছর যাবত ব্যাংকে টাকা রয়ে গেল তাহলে সুদ সমেত প্রত্যেক ডিলার লভ্যাংশ পাবে তা না হয়ে আবার উল্টো চার হাজার করে টাকা ঘুষ দাবি করেছে। এ প্রশ্নের তিনি উত্তর দেননি।
ভুক্তভোগী বাদপড়া ডিলারদের অভিযোগ তাদের জামানতের টাকা দ্রুত সময়র মধ্যে ফেরত পেতে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। সেই সঙ্গে ঘুষখোর খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও উপ খাদ্য পরিদর্শক এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
























