০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বিদ্যুৎ বিলের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস জয়পুরহাটের গ্রাহকদের ক্ষোভ ও ভোগান্তি চরমে

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • 119

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ২৯ জুলাই ২০২৬

জয়পুরহাটে বিদ্যুৎ বিলের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ গ্রাহকদের নাভিশ্বাস উঠেছে। প্রতি মাসে অস্বাভাবিক এবং আকাশছোঁয়া বিদ্যুৎ বিলের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার সাধারণ ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ বিলের অঙ্ক দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ হয়ে যাচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের সংসারের বাজেট কাটছাঁট করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক মাসে বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। অনেক গ্রাহক জানান, তাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরন বা যন্ত্রপাতির কোনো পরিবর্তন না হলেও বিলের কাগজ হাতে পেয়ে তারা হতভম্ব হয়ে পড়ছেন। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের আয়ের একটি বড় অংশই এখন চলে যাচ্ছে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে।

গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলোর রিডাররা অনেক সময় ঘরে না এসে আনুমানিক বা ভুতুড়ে বিল তৈরি করছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষ চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বিল নিয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে বিদ্যুৎ অফিসে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, অথচ আশানুরূপ কোনো সমাধান মেলে না। অতিরিক্ত বিলের বোঝা মাথায় নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই বাজারে বিদ্যুৎ বিলের এমন লাগামহীন বৃদ্ধি তাদের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। সাধারণ মানুষ এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে এবং বিদ্যুৎ বিলের অসঙ্গতি দূর করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

জনপ্রিয়

জয়পুরহাট নুরানী মাদ্রাসা জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

বিদ্যুৎ বিলের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস জয়পুরহাটের গ্রাহকদের ক্ষোভ ও ভোগান্তি চরমে

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ২৯ জুলাই ২০২৬

জয়পুরহাটে বিদ্যুৎ বিলের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ গ্রাহকদের নাভিশ্বাস উঠেছে। প্রতি মাসে অস্বাভাবিক এবং আকাশছোঁয়া বিদ্যুৎ বিলের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার সাধারণ ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ বিলের অঙ্ক দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ হয়ে যাচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের সংসারের বাজেট কাটছাঁট করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক মাসে বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। অনেক গ্রাহক জানান, তাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরন বা যন্ত্রপাতির কোনো পরিবর্তন না হলেও বিলের কাগজ হাতে পেয়ে তারা হতভম্ব হয়ে পড়ছেন। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের আয়ের একটি বড় অংশই এখন চলে যাচ্ছে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে।

গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলোর রিডাররা অনেক সময় ঘরে না এসে আনুমানিক বা ভুতুড়ে বিল তৈরি করছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষ চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বিল নিয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে বিদ্যুৎ অফিসে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, অথচ আশানুরূপ কোনো সমাধান মেলে না। অতিরিক্ত বিলের বোঝা মাথায় নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই বাজারে বিদ্যুৎ বিলের এমন লাগামহীন বৃদ্ধি তাদের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। সাধারণ মানুষ এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে এবং বিদ্যুৎ বিলের অসঙ্গতি দূর করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।