১০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

পাঁচবিবিতে অরক্ষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

  • প্রকাশের সময় : ০৬:২২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 103

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

পাঁচবিবি থেকে আকতার হোসেন বকুলঃ ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২৩ ভাদ্র, ১৪৩২

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত রায়গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অত্র্য এলাকায় শিক্ষার আলোর প্রসার ঘটাতে কিছু বেকার শিক্ষিত যুবক বিদ্যালয়টি ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠা করে। দীর্ঘদিন নানান সমস্যা ও প্রতিকূলতার মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বে-সরকারিভাবে চলে আসলেও ২০১৩ সালে সরকারি করন হয়। স্থানীয় নেতা ফারুক হোসেন বলেন, বিদ্যালয়টির কিছু সমস্যা আছে। সমস্যাগুলো সমাধান করা হলে পড়ালেখার মান আর একটু ভালো হতো। পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক ও তৃতীয় শ্রেণীর মোছাঃ আনিকা আফরোজ বলেন, টিফিন পিরিয়ডে আমরা স্কুল মাঠে খেলাধুলা করতে পারিনা। বর্ষাকালে কাঁদা হয় এবং মাঠটি খুব ছোট। এছাড়া চারপাশে ঘেরা না থাকায় গ্রামের হাঁস মুরগি গরু ছাগল সর্বদা মাঠে বিচরণ করে। মাঠটিতে মাটি দিলে ও ঘিরে দিলে আমরা খেলাধুলা করতে পারতাম বলে, তারা।

বিদ্যালয়টি প্রধান শিক্ষক মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, একেতো আজো পাড়ায় এবং পাশেই ২’টি মাদ্রাসা থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ে একশর অধিক শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। প্রতিষ্ঠানের বাউন্ডারি ওয়াল ও মাটি ভরাটের আশু প্রয়োজন বিষয়টি ঊর্ধ্বতন দপ্তরে লিখিত ভাবে জানিয়েছি। আশাকরি যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন কতৃপক্ষ।

জনপ্রিয়

জয়পুরহাট নুরানী মাদ্রাসা জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

পাঁচবিবিতে অরক্ষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

প্রকাশের সময় : ০৬:২২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

পাঁচবিবি থেকে আকতার হোসেন বকুলঃ ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২৩ ভাদ্র, ১৪৩২

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত রায়গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অত্র্য এলাকায় শিক্ষার আলোর প্রসার ঘটাতে কিছু বেকার শিক্ষিত যুবক বিদ্যালয়টি ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠা করে। দীর্ঘদিন নানান সমস্যা ও প্রতিকূলতার মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বে-সরকারিভাবে চলে আসলেও ২০১৩ সালে সরকারি করন হয়। স্থানীয় নেতা ফারুক হোসেন বলেন, বিদ্যালয়টির কিছু সমস্যা আছে। সমস্যাগুলো সমাধান করা হলে পড়ালেখার মান আর একটু ভালো হতো। পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক ও তৃতীয় শ্রেণীর মোছাঃ আনিকা আফরোজ বলেন, টিফিন পিরিয়ডে আমরা স্কুল মাঠে খেলাধুলা করতে পারিনা। বর্ষাকালে কাঁদা হয় এবং মাঠটি খুব ছোট। এছাড়া চারপাশে ঘেরা না থাকায় গ্রামের হাঁস মুরগি গরু ছাগল সর্বদা মাঠে বিচরণ করে। মাঠটিতে মাটি দিলে ও ঘিরে দিলে আমরা খেলাধুলা করতে পারতাম বলে, তারা।

বিদ্যালয়টি প্রধান শিক্ষক মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, একেতো আজো পাড়ায় এবং পাশেই ২’টি মাদ্রাসা থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ে একশর অধিক শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। প্রতিষ্ঠানের বাউন্ডারি ওয়াল ও মাটি ভরাটের আশু প্রয়োজন বিষয়টি ঊর্ধ্বতন দপ্তরে লিখিত ভাবে জানিয়েছি। আশাকরি যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন কতৃপক্ষ।