
ছবির ক্যাপশনঃ
রুহুল আমিন চিশতী, জয়পুরহাটঃ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে ৩ হাজার পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় এক নারীসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। একই এলাকায় পৃথক অভিযানে মাদক সেবনের অভিযোগে আরও দুজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে।
গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের মোসলেমগঞ্জ-কিচক সড়কের টাকাহুত (মধুবন) এলাকায় অভিযান চালিয়ে টাপেন্টাডলসহ ওই দুজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—বগুড়া শহরের রহমাননগর এলাকার মৃত আসলাম হোসেনের মেয়ে শারমিন (২৬) এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পানিতলা এলাকার ছোতরপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে হেলাল উদ্দিন (৩০)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের সদস্যরা জানতে পারেন, মোসলেমগঞ্জ- কিচক সড়ক দিয়ে মাদকের একটি চালান কালাইয়ে প্রবেশ করবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের একটি দল সকাল ১০টা থেকে ওই এলাকায় অবস্থান নেয়।
পরে কিচক থেকে আসা একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় শারমিনের ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে ১ হাজার ৬০০ পিস এবং হেলালের সাদা ব্যাগ থেকে ১ হাজার ৪০০ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ৩ হাজার পিস টাপেন্টাডল জব্দ করা হয়।
জয়পুরহাট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এসআই সিরাজুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে টাপেন্টাডলসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।
এদিকে, একই এলাকায় পৃথক অভিযানে মাদক সেবনের অভিযোগে রুহুল আমিন (৪০) ও ফাহিম হোসেন (২৬) নামে আরও দুজনকে আটক করা হয়। রুহুল আমিন উপজেলার টাকাহুত (জগন্নাথপুর) গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে এবং ফাহিম হোসেন একই গ্রামের দামাপাড়া এলাকার আইয়ুব হোসেনের ছেলে।
পরে কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমেদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। আদালত ফাহিম হোসেনকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং রুহুল আমিনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন।
জয়পুরহাট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শাকিল আহমেদ বলেন, ৩ হাজার পিস টাপেন্টাডলসহ আটক শারমিন ও হেলাল বর্তমানে অধিদপ্তরের হেফাজতে রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
























