০১:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

আখাউড়ার আলোচিত দাঁড়িয়ে যাওয়া গাছ অপসারণ করল প্রশাসন

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • 17

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ৫ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের মুন্সীবাড়ির পুকুরপাড়ে থাকা আলোচিত সেই গাছটি অবশেষে অপসারণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

প্রায় এক মাস আগে ঝড়ের সময় গাছটি শিকড়সহ উপড়ে পড়ে যায়। পরে এর ডালপালা কেটে ফেলার কয়েকদিন পর অবশিষ্ট প্রায় ১৫ ফুট দীর্ঘ কাণ্ড রহস্যজনকভাবে আবার সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং দূর-দূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ গাছটি দেখতে ভিড় করতে শুরু করেন।

একপর্যায়ে কিছু মানুষ গাছটির গোড়ায় লাল কাপড় বেঁধে, মোমবাতি ও আগরবাতি জ্বালিয়ে মানত করতে থাকেন। এতে স্থানটি ধীরে ধীরে মাজার সদৃশ রূপ নিতে শুরু করে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

কুসংস্কার ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়া রোধে শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় গাছটি অপসারণ করা হয়।

আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ জানান, গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। মালিকের অনুমতি নিয়েই এটি অপসারণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গাছ বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ একটি মসজিদ বা মাদরাসায় দান করা হবে।

প্রশাসনের দাবি, গাছটিকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া কৌতূহল ও কুসংস্কার নিরসন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই দ্রুত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

বগুড়া দুপচাঁচিয়ায় বালু বাহী ও আম বাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে হতাহত ২

আখাউড়ার আলোচিত দাঁড়িয়ে যাওয়া গাছ অপসারণ করল প্রশাসন

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ৫ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের মুন্সীবাড়ির পুকুরপাড়ে থাকা আলোচিত সেই গাছটি অবশেষে অপসারণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

প্রায় এক মাস আগে ঝড়ের সময় গাছটি শিকড়সহ উপড়ে পড়ে যায়। পরে এর ডালপালা কেটে ফেলার কয়েকদিন পর অবশিষ্ট প্রায় ১৫ ফুট দীর্ঘ কাণ্ড রহস্যজনকভাবে আবার সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং দূর-দূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ গাছটি দেখতে ভিড় করতে শুরু করেন।

একপর্যায়ে কিছু মানুষ গাছটির গোড়ায় লাল কাপড় বেঁধে, মোমবাতি ও আগরবাতি জ্বালিয়ে মানত করতে থাকেন। এতে স্থানটি ধীরে ধীরে মাজার সদৃশ রূপ নিতে শুরু করে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

কুসংস্কার ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়া রোধে শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় গাছটি অপসারণ করা হয়।

আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ জানান, গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। মালিকের অনুমতি নিয়েই এটি অপসারণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গাছ বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ একটি মসজিদ বা মাদরাসায় দান করা হবে।

প্রশাসনের দাবি, গাছটিকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া কৌতূহল ও কুসংস্কার নিরসন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই দ্রুত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।