০৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল লিজের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে ফটক সভা

  • প্রকাশের সময় : ০৭:২১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • 32

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

স্টাফ রিপোর্টার: ২০ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ চিনি শিল্প কর্পোরেশনের আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে লিজ দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং চিনিকলগুলোর আধুনিকায়নের দাবিতে জয়পুরহাট চিনিকলে ফটক সভা ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে জয়পুরহাট চিনিকলের ১ নম্বর গেটের সামনে বাংলাদেশ চিনি শিল্প কর্পোরেশন শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের ঘোষিত দুই দফা কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশের আয়োজন করে জয়পুরহাট চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের সভাপতি মো. আলী আকতার। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চিনি শিল্প কর্পোরেশন শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও জয়পুরহাট চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. জায়েদ হোসেন, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান সোহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক জুবাইর পারভেজ মুরাদ, অর্থ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাদু, সাবেক সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব রুমেল, সাবেক প্রচার সম্পাদক আতিকুল ইসলাম শান্তসহ ইউনিয়নের অন্যান্য নেতারা।
বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারি খাতে লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের চাকরির নিরাপত্তা, শ্রমিক অধিকার এবং দেশের শিল্প খাতের জন্য উদ্বেগজনক। তারা লিজ নীতির পরিবর্তে চিনিকলগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদনশীল ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের দাবি জানান।
এ সময় নেতারা আরও বলেন, ১৫ মে ২০২৪ তারিখে জারি করা মৌসুমী জনবল স্থায়ীকরণ-সংক্রান্ত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে যোগ্য মৌসুমী শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণভাবে স্থায়ী পদে সমন্বয়ের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এতে দক্ষ জনবল তৈরি এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে বলে তারা দাবি করেন।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষাপটে ১ জুলাই ২০২৫ থেকে পে-কমিশনের আওতাভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা পেলেও মজুরি কমিশনের আওতাধীন শ্রমিকরা এখনো সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তারা অবিলম্বে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারির মাধ্যমে শ্রমিকদেরও একই সুবিধা দেওয়ার দাবি জানান।

এ ছাড়া, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর নতুন বেতন কাঠামোয় কর্মকর্তা- কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হলেও শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি স্কেল ঘোষণা না হওয়ায় অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেন নেতারা। একই তারিখ থেকে শ্রমিকদের জন্যও নতুন মজুরি স্কেল কার্যকরের আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশ শেষে শ্রমিক নেতারা সরকারের প্রতি দ্রুত দুই দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। অন্যথায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আরও কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

জনপ্রিয়

সাপাহারে বিভিন্ন মামলার ৬ আসামিকে আদালতে প্রেরণ

রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল লিজের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে ফটক সভা

প্রকাশের সময় : ০৭:২১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

স্টাফ রিপোর্টার: ২০ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ চিনি শিল্প কর্পোরেশনের আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে লিজ দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং চিনিকলগুলোর আধুনিকায়নের দাবিতে জয়পুরহাট চিনিকলে ফটক সভা ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে জয়পুরহাট চিনিকলের ১ নম্বর গেটের সামনে বাংলাদেশ চিনি শিল্প কর্পোরেশন শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের ঘোষিত দুই দফা কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশের আয়োজন করে জয়পুরহাট চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের সভাপতি মো. আলী আকতার। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চিনি শিল্প কর্পোরেশন শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও জয়পুরহাট চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. জায়েদ হোসেন, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান সোহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক জুবাইর পারভেজ মুরাদ, অর্থ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাদু, সাবেক সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব রুমেল, সাবেক প্রচার সম্পাদক আতিকুল ইসলাম শান্তসহ ইউনিয়নের অন্যান্য নেতারা।
বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারি খাতে লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের চাকরির নিরাপত্তা, শ্রমিক অধিকার এবং দেশের শিল্প খাতের জন্য উদ্বেগজনক। তারা লিজ নীতির পরিবর্তে চিনিকলগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদনশীল ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের দাবি জানান।
এ সময় নেতারা আরও বলেন, ১৫ মে ২০২৪ তারিখে জারি করা মৌসুমী জনবল স্থায়ীকরণ-সংক্রান্ত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে যোগ্য মৌসুমী শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণভাবে স্থায়ী পদে সমন্বয়ের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এতে দক্ষ জনবল তৈরি এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে বলে তারা দাবি করেন।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষাপটে ১ জুলাই ২০২৫ থেকে পে-কমিশনের আওতাভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা পেলেও মজুরি কমিশনের আওতাধীন শ্রমিকরা এখনো সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তারা অবিলম্বে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারির মাধ্যমে শ্রমিকদেরও একই সুবিধা দেওয়ার দাবি জানান।

এ ছাড়া, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর নতুন বেতন কাঠামোয় কর্মকর্তা- কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হলেও শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি স্কেল ঘোষণা না হওয়ায় অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেন নেতারা। একই তারিখ থেকে শ্রমিকদের জন্যও নতুন মজুরি স্কেল কার্যকরের আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশ শেষে শ্রমিক নেতারা সরকারের প্রতি দ্রুত দুই দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। অন্যথায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আরও কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।