০৯:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

এমসি কলেজে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: প্রধান আসামি সাইফুরের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • 129

ছবিঃ সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৪ জুলাই ২০২৬

সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে মামলার প্রধান আসামি ও আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে অপর তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং বাকি চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার আসামিদের উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।

কার কী সাজা হলোঃ
ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান:

মৃত্যুদণ্ড: মামলার ১ নম্বর আসামি সাইফুর রহমান।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক এবং অর্জুন লস্কর।

খালাস: অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি ৪ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডিত ও খালাসপ্রাপ্ত সবাই রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

যেভাবে এসেছিল চূড়ান্ত রায়
আদালত সূত্রে জানা যায়, মোট ২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে অপরাধের সত্যতা নিশ্চিত করে আদালত এই রায় প্রদান করেন। ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে মারধর করে আটকে রেখে ১৯ বছর বয়সী এক নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা দায়ের করেন। দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের মুখে পুলিশ ও র‍্যাব অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর পর আজ এই পৈশাচিক ঘটনার চূড়ান্ত বিচার সম্পন্ন হলো।

জনপ্রিয়

জয়পুরহাট নুরানী মাদ্রাসা জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

এমসি কলেজে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: প্রধান আসামি সাইফুরের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশের সময় : ০৪:৩১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ছবিঃ সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৪ জুলাই ২০২৬

সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে মামলার প্রধান আসামি ও আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে অপর তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং বাকি চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার আসামিদের উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।

কার কী সাজা হলোঃ
ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান:

মৃত্যুদণ্ড: মামলার ১ নম্বর আসামি সাইফুর রহমান।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক এবং অর্জুন লস্কর।

খালাস: অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি ৪ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডিত ও খালাসপ্রাপ্ত সবাই রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

যেভাবে এসেছিল চূড়ান্ত রায়
আদালত সূত্রে জানা যায়, মোট ২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে অপরাধের সত্যতা নিশ্চিত করে আদালত এই রায় প্রদান করেন। ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে মারধর করে আটকে রেখে ১৯ বছর বয়সী এক নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা দায়ের করেন। দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের মুখে পুলিশ ও র‍্যাব অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর পর আজ এই পৈশাচিক ঘটনার চূড়ান্ত বিচার সম্পন্ন হলো।