০৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাঁচবিবিতে টাস্কফোর্সের অভিযান: মাদক ও অস্ত্রসহ নারী আটক, কথিত সাংবাদিক শাহীন পলাতক

  • প্রকাশের সময় : ১২:০১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 10

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

মোঃ সাকিব ইসলাম পাঁচবিবি জয়পুরহাট, প্রতিনিধিঃ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ টাস্কফোর্স অভিযানে ৬৫৬ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ এক নারী মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তবে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মূল আসামি কথিত সাংবাদিক ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সুকৌশলে পালিয়ে যায়।
জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক এর নেতৃত্বে বুধবার ভোররাতে উপজেলার পশ্চিম উচনা গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সীমান্তবর্তী পশ্চিম উচনা এলাকার কথিত সাংবাদিক, তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী এবং ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়/স্পর্শকাতর তথ্য পাচারকারী হাবিবুর রহমানের ছেলে মোঃ শাহীন আলমের বাড়ি স্থানীয় মেম্বার, ইমাম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তার নিজ কক্ষ থেকে ৬৫৬ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, নগদ ৩ হাজার ৭৯৭ টাকা, ৫টি মোবাইল ফোন ও ১টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সময় শাহীন আলম বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলেও অভিযানস্থল থেকে তার স্ত্রী মোছাঃ উম্মে হাবিবাকে আটক করে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা।
স্থানীয়রা জানান, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় গোপনীয় ও স্পর্শকাতর তথ্যগুলো শাহীন ভারতে পাচার করত এবং সব ধরনের চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিল। বিষয়টি এলাকার সবাই জানলেও তার ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারত না। এছাড়া বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে স্থানীয়ভাবে চাঁদা আদায় করত এবং গ্যাং গঠন করে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করত। এলাকার অন্য মাদক ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন, পলাশ মিয়া ও স্থানীয় মেম্বার লাইজু মিয়ার মাধ্যমেও জানা যায় যে সে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। অবশেষে শাহীনকে মাদক মামলায় পলাতক আসামি করায় সন্তোষ প্রকাশ করে বিজিবি অধিনায়ককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

টাস্কফোর্সের গৃহীত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পলাতক সাংবাদিক ও মাদক ব্যবসায়ী শাহীন আলমকে পলাতক আসামি করা হয় এবং আটককৃত তার স্ত্রী উম্মে হাবিবাকে আসামি করে উদ্ধারকৃত ট্যাপেন্টাডল, নগদ অর্থ ও অস্ত্রসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে ২০ বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

ক্ষেতলালে প্রেমিকের বাড়িতে এক সন্তানের জননীর অবস্থান ৷৷ বিয়ের দাবিতে আত্মহত্যার হুমকি

পাঁচবিবিতে টাস্কফোর্সের অভিযান: মাদক ও অস্ত্রসহ নারী আটক, কথিত সাংবাদিক শাহীন পলাতক

প্রকাশের সময় : ১২:০১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

মোঃ সাকিব ইসলাম পাঁচবিবি জয়পুরহাট, প্রতিনিধিঃ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ টাস্কফোর্স অভিযানে ৬৫৬ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ এক নারী মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তবে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মূল আসামি কথিত সাংবাদিক ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সুকৌশলে পালিয়ে যায়।
জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক এর নেতৃত্বে বুধবার ভোররাতে উপজেলার পশ্চিম উচনা গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সীমান্তবর্তী পশ্চিম উচনা এলাকার কথিত সাংবাদিক, তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী এবং ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়/স্পর্শকাতর তথ্য পাচারকারী হাবিবুর রহমানের ছেলে মোঃ শাহীন আলমের বাড়ি স্থানীয় মেম্বার, ইমাম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তার নিজ কক্ষ থেকে ৬৫৬ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, নগদ ৩ হাজার ৭৯৭ টাকা, ৫টি মোবাইল ফোন ও ১টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সময় শাহীন আলম বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলেও অভিযানস্থল থেকে তার স্ত্রী মোছাঃ উম্মে হাবিবাকে আটক করে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা।
স্থানীয়রা জানান, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় গোপনীয় ও স্পর্শকাতর তথ্যগুলো শাহীন ভারতে পাচার করত এবং সব ধরনের চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিল। বিষয়টি এলাকার সবাই জানলেও তার ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারত না। এছাড়া বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে স্থানীয়ভাবে চাঁদা আদায় করত এবং গ্যাং গঠন করে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করত। এলাকার অন্য মাদক ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন, পলাশ মিয়া ও স্থানীয় মেম্বার লাইজু মিয়ার মাধ্যমেও জানা যায় যে সে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। অবশেষে শাহীনকে মাদক মামলায় পলাতক আসামি করায় সন্তোষ প্রকাশ করে বিজিবি অধিনায়ককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

টাস্কফোর্সের গৃহীত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পলাতক সাংবাদিক ও মাদক ব্যবসায়ী শাহীন আলমকে পলাতক আসামি করা হয় এবং আটককৃত তার স্ত্রী উম্মে হাবিবাকে আসামি করে উদ্ধারকৃত ট্যাপেন্টাডল, নগদ অর্থ ও অস্ত্রসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে ২০ বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে।