০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

গুলশান মোড়ে দুই মাওলানা দেহব্যবসার সময় আটক! এলাকায় চাঞ্চল্য

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • 104

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ৬ নভেম্বর ২০২৫

জয়পুরহাট শহরের গুলশান মোড়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তানজীমুল উম্মাহ দারুল কোরআন মহিলা মাদরাসার পরিচালক মাওলানা তানজিম আল হাবিব (২৭) ও তার সহযোগী মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী (৩৫) কথিত দেহ ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় জনতার হাতে দুই নারীসহ হাতেনাতে আটক হন।

সরজমিন তথ্য অনুসন্ধানকালে জানা যায়, মাওলানা তানজিম আল হাবিবের স্ত্রী ও একই মাদরাসার শিক্ষিকা আয়েশা সিদ্দিকী বাবার বাসায় বেড়াতে গেলে সেই সুযোগে তারা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে নওগাঁ জেলার নজীপুর এলাকা থেকে দুই নারীকে ভাড়া করে আনেন।

ঘটনাস্থলে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সন্দেহ হলে এলাকার সচেতন নাগরিকরা তাদের আটক করে। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলেন, “যারা নারীদের কুরআন শিক্ষা দেয়, তাদের এমন আচরণ অত্যন্ত লজ্জাজনক।” মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে কাহাকেও পাওযা যায়নি।

এদিকে প্রতিষ্ঠানের ৩২ জন আবাসিক ছাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ। তারা প্রশাসনের কাছে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

জয়পুরহাট নুরানী মাদ্রাসা জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

গুলশান মোড়ে দুই মাওলানা দেহব্যবসার সময় আটক! এলাকায় চাঞ্চল্য

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ৬ নভেম্বর ২০২৫

জয়পুরহাট শহরের গুলশান মোড়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তানজীমুল উম্মাহ দারুল কোরআন মহিলা মাদরাসার পরিচালক মাওলানা তানজিম আল হাবিব (২৭) ও তার সহযোগী মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী (৩৫) কথিত দেহ ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় জনতার হাতে দুই নারীসহ হাতেনাতে আটক হন।

সরজমিন তথ্য অনুসন্ধানকালে জানা যায়, মাওলানা তানজিম আল হাবিবের স্ত্রী ও একই মাদরাসার শিক্ষিকা আয়েশা সিদ্দিকী বাবার বাসায় বেড়াতে গেলে সেই সুযোগে তারা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে নওগাঁ জেলার নজীপুর এলাকা থেকে দুই নারীকে ভাড়া করে আনেন।

ঘটনাস্থলে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সন্দেহ হলে এলাকার সচেতন নাগরিকরা তাদের আটক করে। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলেন, “যারা নারীদের কুরআন শিক্ষা দেয়, তাদের এমন আচরণ অত্যন্ত লজ্জাজনক।” মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে কাহাকেও পাওযা যায়নি।

এদিকে প্রতিষ্ঠানের ৩২ জন আবাসিক ছাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ। তারা প্রশাসনের কাছে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।