০৮:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

হিলিতে রোপা আমন ফসল রক্ষায় আলোক ফাঁদ স্থাপন

  • প্রকাশের সময় : ১২:২০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 119

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রোপা আমন ফসল নির্বিঘ্নে উৎপাদনের লক্ষ্যে ক্ষতিকর বালাই পর্যবেক্ষণ ও দমনে দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলিতে আলোক ফাঁদ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার হাকিমপুর হিলি পৌরসভার ছোট জালালপুর ও আলীহাট ইউনিয়নের সাদুড়িয়া মাঠে এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

কৃষকদের মাঝে আলোক ফাঁদের কার্যকারিতা ও ব্যবহার পদ্ধতি তুলে ধরেন কৃষি কর্মকর্তারা।

স্থানীয় কৃষক গোলাম রব্বানী বলেন,আগে আমরা অনেক সময় বুঝতেই পারতাম না কখন কোন পোকা আক্রমণ করছে। এখন আলোক ফাঁদে সহজে শনাক্ত করা যাচ্ছে। ফলে সময়মতো ব্যবস্থা নিতে পারছি।

আরেক কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান, আলোক ফাঁদে পোকা ধরে ফেলায় কীটনাশকের ব্যবহার কমে যাবে। এতে আমাদের খরচ বাঁচবে, আর জমির ফসলও নিরাপদ থাকবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম বলেন, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার হ্রাস পাবে। এ কার্যক্রম পরিবেশবান্ধব উপায়ে বালাই দমন নিশ্চিত করবে এবং কৃষকদের উৎপাদন খরচও কমিয়ে আনবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. মেজবাহুর রহমান, আলীহাট ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ইমরান আলী, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. রাজিব, মুনসুর আলীসহ স্থানীয় কর্মকর্তারা।

জনপ্রিয়

সাপাহারে বিভিন্ন মামলার ৬ আসামিকে আদালতে প্রেরণ

হিলিতে রোপা আমন ফসল রক্ষায় আলোক ফাঁদ স্থাপন

প্রকাশের সময় : ১২:২০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছবিঃ সীমান্তের আওয়াজ

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রোপা আমন ফসল নির্বিঘ্নে উৎপাদনের লক্ষ্যে ক্ষতিকর বালাই পর্যবেক্ষণ ও দমনে দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলিতে আলোক ফাঁদ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার হাকিমপুর হিলি পৌরসভার ছোট জালালপুর ও আলীহাট ইউনিয়নের সাদুড়িয়া মাঠে এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

কৃষকদের মাঝে আলোক ফাঁদের কার্যকারিতা ও ব্যবহার পদ্ধতি তুলে ধরেন কৃষি কর্মকর্তারা।

স্থানীয় কৃষক গোলাম রব্বানী বলেন,আগে আমরা অনেক সময় বুঝতেই পারতাম না কখন কোন পোকা আক্রমণ করছে। এখন আলোক ফাঁদে সহজে শনাক্ত করা যাচ্ছে। ফলে সময়মতো ব্যবস্থা নিতে পারছি।

আরেক কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান, আলোক ফাঁদে পোকা ধরে ফেলায় কীটনাশকের ব্যবহার কমে যাবে। এতে আমাদের খরচ বাঁচবে, আর জমির ফসলও নিরাপদ থাকবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম বলেন, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার হ্রাস পাবে। এ কার্যক্রম পরিবেশবান্ধব উপায়ে বালাই দমন নিশ্চিত করবে এবং কৃষকদের উৎপাদন খরচও কমিয়ে আনবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. মেজবাহুর রহমান, আলীহাট ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ইমরান আলী, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. রাজিব, মুনসুর আলীসহ স্থানীয় কর্মকর্তারা।