১১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬

পুরোনো আইনে বাংলাদেশকে আর চলতে দেবো নাঃ নাহিদ ইসলাম

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫
  • 123

 

শনিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের বেরিরপাড়ে জুলাই পথযাত্রা কর্মসূচির শেষে পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

ডেক্স রিপোর্টঃ শনিবার ২৬ জুলাই ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘পুরোনো সিস্টেমের পুরোনো আইনে বাংলাদেশকে আর চলতে দেবো না।’

আজ শনিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের বেরিরপাড়ে জুলাই পথযাত্রা কর্মসূচির শেষে পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পরে নানা শক্তি দেশকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে। বিচার, সংস্কার ও নতুন সংবিধানের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ হত্যাকে সামনে তুলে ধরে এর দায় অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে দেয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা ৩ আগস্ট এক দফায় স্পষ্ট করেছি, আমাদের লড়াই শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে। আমাদের যে দমন-পীড়ন করা হয়েছে, আমরা বাধ্য হয়েছিলাম প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। আমাদের লড়াই ছিল ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ও ফ্যাসিস্ট বাহিনীর বিরুদ্ধে।’

নাহিদ বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অনেক দাবি ছিল। কিন্তু আমাদের সব দাবিকে নির্বাচনের দাবিতে রূপান্তর করে ফেলা হয়েছে। আমরা বলেছি, আমরা নির্বাচন চাই, আমরা গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি, ভোটাধিকারের পক্ষে লড়াই করা শক্তি।’

সংবিধান প্রসঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা বলেছি, আমাদের নতুন সংবিধান প্রয়োজন- যেই সংবিধানে বাংলাদেশের মানুষের অধিকারের কথা লেখা থাকবে, সব ঐতিহাসিক লড়াইয়ের স্বীকৃতি থাকবে, সকল জাতি-ধর্ম-বর্ণের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে।’

উল্লেখ্য, এর আগে শহরের শহীদ মিনার থেকে এনসিপির জুলাই পদযাত্রাটি বের হয়। শহরের কোর্ট রোড ও শাহ মোস্তফা সড়কে পথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সর্বস্তরের মানুষ যোগদান করেন।

মৌলভীবাজার জেলার প্রধান সমন্বয়কারী ফাহাদ আলমের সভাপতিত্বে পথসভায় আরো বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী।

এছাড়াও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার, জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মারুফ আল হামিদ, জাকারিয়া ইমন প্রমুখ। সূত্র : ইউএনবি

 

জনপ্রিয়

নওগাঁর সাপাহারে জমে উঠছে আমের বাজার, অপেক্ষা আম্রপালির

পুরোনো আইনে বাংলাদেশকে আর চলতে দেবো নাঃ নাহিদ ইসলাম

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

 

শনিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের বেরিরপাড়ে জুলাই পথযাত্রা কর্মসূচির শেষে পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

ডেক্স রিপোর্টঃ শনিবার ২৬ জুলাই ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘পুরোনো সিস্টেমের পুরোনো আইনে বাংলাদেশকে আর চলতে দেবো না।’

আজ শনিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের বেরিরপাড়ে জুলাই পথযাত্রা কর্মসূচির শেষে পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পরে নানা শক্তি দেশকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে। বিচার, সংস্কার ও নতুন সংবিধানের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ হত্যাকে সামনে তুলে ধরে এর দায় অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে দেয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা ৩ আগস্ট এক দফায় স্পষ্ট করেছি, আমাদের লড়াই শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে। আমাদের যে দমন-পীড়ন করা হয়েছে, আমরা বাধ্য হয়েছিলাম প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। আমাদের লড়াই ছিল ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ও ফ্যাসিস্ট বাহিনীর বিরুদ্ধে।’

নাহিদ বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অনেক দাবি ছিল। কিন্তু আমাদের সব দাবিকে নির্বাচনের দাবিতে রূপান্তর করে ফেলা হয়েছে। আমরা বলেছি, আমরা নির্বাচন চাই, আমরা গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি, ভোটাধিকারের পক্ষে লড়াই করা শক্তি।’

সংবিধান প্রসঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা বলেছি, আমাদের নতুন সংবিধান প্রয়োজন- যেই সংবিধানে বাংলাদেশের মানুষের অধিকারের কথা লেখা থাকবে, সব ঐতিহাসিক লড়াইয়ের স্বীকৃতি থাকবে, সকল জাতি-ধর্ম-বর্ণের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে।’

উল্লেখ্য, এর আগে শহরের শহীদ মিনার থেকে এনসিপির জুলাই পদযাত্রাটি বের হয়। শহরের কোর্ট রোড ও শাহ মোস্তফা সড়কে পথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সর্বস্তরের মানুষ যোগদান করেন।

মৌলভীবাজার জেলার প্রধান সমন্বয়কারী ফাহাদ আলমের সভাপতিত্বে পথসভায় আরো বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী।

এছাড়াও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার, জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মারুফ আল হামিদ, জাকারিয়া ইমন প্রমুখ। সূত্র : ইউএনবি