১০:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬

পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগে এএসআই মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ আদালত

  • প্রকাশের সময় : ০৭:০৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
  • 125

ছবিঃ সংগৃহীত

আঃ রাজ্জাক, স্টাফ রিপোর্টারঃ রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

বগুড়ার সোনাতলায় গ্রেফতারকৃত আসামিকে মারপিটের অভিযোগে এএসআই মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলা নং জি.আর ৪১/২০২৪ (সোনাতলা) অনুযায়ী জানা যায়, সোনাতলা থানার পুলিশি মামলার আসামি মো. সাইদুর রহমান তুষ্টি (পিতা-মো. সারোয়ার হোসনে, গ্রাম-আগুনিয়াতাইড় মাষ্টারপাড়া) গত ২ জুলাই আদালতের ইস্যুকৃত ওয়ারেন্টে গ্রেফতার হয়ে রবিবার   আদালতে হাজির হন।

আদালতে হাজির হয়ে আসামি অভিযোগ করেন, সিভিল ড্রেস ও পুলিশি পোশাক পরিহিত মোট চারজন পুলিশ সদস্য তাকে বাড়ি থেকে তুলে এনে প্রথমে রাস্তায়, পরে সিএনজি ও থানায় এলোপাথারি মারপিট করে। অভিযোগে বলা হয়, থানার ডিউটি অফিসার এএসআই মিজানও মারপিটে অংশ নেন এবং জখমের ফলে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলা ও কাটা জখমের চিহ্ন দেখা যায়।

আদালত আসামির শারীরিক জখম পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন, ২০১৩ এর অধীনে অভিযোগ নথিভুক্ত করেন।

আদালত নির্দেশ দেন, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার কর্তৃক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্যাতনের আলামত ও সময় উল্লেখ করে মেডিকেল রিপোর্ট জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে পুলিশ সুপার, বগুড়াকে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করে আদালতকে অবহিত করতে নির্দেশ দেয়া হয়।

জনপ্রিয়

নওগাঁর সাপাহারে জমে উঠছে আমের বাজার, অপেক্ষা আম্রপালির

পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগে এএসআই মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ আদালত

প্রকাশের সময় : ০৭:০৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

ছবিঃ সংগৃহীত

আঃ রাজ্জাক, স্টাফ রিপোর্টারঃ রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

বগুড়ার সোনাতলায় গ্রেফতারকৃত আসামিকে মারপিটের অভিযোগে এএসআই মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলা নং জি.আর ৪১/২০২৪ (সোনাতলা) অনুযায়ী জানা যায়, সোনাতলা থানার পুলিশি মামলার আসামি মো. সাইদুর রহমান তুষ্টি (পিতা-মো. সারোয়ার হোসনে, গ্রাম-আগুনিয়াতাইড় মাষ্টারপাড়া) গত ২ জুলাই আদালতের ইস্যুকৃত ওয়ারেন্টে গ্রেফতার হয়ে রবিবার   আদালতে হাজির হন।

আদালতে হাজির হয়ে আসামি অভিযোগ করেন, সিভিল ড্রেস ও পুলিশি পোশাক পরিহিত মোট চারজন পুলিশ সদস্য তাকে বাড়ি থেকে তুলে এনে প্রথমে রাস্তায়, পরে সিএনজি ও থানায় এলোপাথারি মারপিট করে। অভিযোগে বলা হয়, থানার ডিউটি অফিসার এএসআই মিজানও মারপিটে অংশ নেন এবং জখমের ফলে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলা ও কাটা জখমের চিহ্ন দেখা যায়।

আদালত আসামির শারীরিক জখম পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন, ২০১৩ এর অধীনে অভিযোগ নথিভুক্ত করেন।

আদালত নির্দেশ দেন, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার কর্তৃক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্যাতনের আলামত ও সময় উল্লেখ করে মেডিকেল রিপোর্ট জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে পুলিশ সুপার, বগুড়াকে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করে আদালতকে অবহিত করতে নির্দেশ দেয়া হয়।